রাশেদুল ইসলাম
রাজশাহী · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
রাজশাহী · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
কোভিডের চরম মুহূর্তে যখন সবাই ঘরে বন্দি ছিল, তখন রক্তের তীব্র সংকটে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই থেকে শুরু, রক্তদান এখন আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। রক্ত দিন, এতে কোনো ক্ষতি নেই; বরং নিজের শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে।
রাত তখন আড়াইটা। হঠাৎ ফোনে রক্তবার্তার নোটিফিকেশন বাজে—চট্টগ্রাম মেডিকেলে একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রচণ্ড জরুরি রক্ত লাগবে। আমি ঘুম থেকে উঠে বাইক নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই। রোগীর স্বজনদের চোখের জল আর রক্তদানের পর তাদের মুখের হাসিটুকুই ছিল আমার জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।
১৯ বছর বয়সে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসে রক্তদান করেছিলাম। আজ আমার ৫০তম রক্তদান সম্পন্ন হলো কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। অনেকে বলেন নিয়মিত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়, কিন্তু বিশ্বাস করুন রক্তদানের পর শরীর আরো সতেজ ও প্রাণবন্ত লাগে। মানুষের বিপদে রক্তের ব্যবস্থা করার চেয়ে বড় কোনো মানবিক পুণ্য পৃথিবীতে নেই।
মন্তব্যসমূহ (০)
মন্তব্য করতে বা রক্তদাতার প্রশংসা জানাতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন।
লগইন করুনএখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনিই প্রথম মন্তব্যকারী হোন!