দেবব্রত রায়
সিলেট · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
সিলেট · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
আমার ৬ বছরের ছেলে আবিরের প্রতি তিন সপ্তাহ পর পর ও নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত রক্তদাতা পাওয়া আমাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন ছিল। কিন্তু রক্তবার্তা প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর রাজশাহীর স্থানীয় কয়েকজন ভাই নিয়মিত শিডিউল করে রক্ত দিচ্ছেন। এই মানবিক মানুষগুলোর ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না।
রাত তখন আড়াইটা। হঠাৎ ফোনে রক্তবার্তার নোটিফিকেশন বাজে—চট্টগ্রাম মেডিকেলে একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রচণ্ড জরুরি রক্ত লাগবে। আমি ঘুম থেকে উঠে বাইক নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই। রোগীর স্বজনদের চোখের জল আর রক্তদানের পর তাদের মুখের হাসিটুকুই ছিল আমার জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।
১৯ বছর বয়সে প্রথমবার কলেজ ক্যাম্পাসে রক্তদান করেছিলাম। আজ আমার ৫০তম রক্তদান সম্পন্ন হলো কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। অনেকে বলেন নিয়মিত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়, কিন্তু বিশ্বাস করুন রক্তদানের পর শরীর আরো সতেজ ও প্রাণবন্ত লাগে। মানুষের বিপদে রক্তের ব্যবস্থা করার চেয়ে বড় কোনো মানবিক পুণ্য পৃথিবীতে নেই।
মন্তব্যসমূহ (০)
মন্তব্য করতে বা রক্তদাতার প্রশংসা জানাতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন।
লগইন করুনএখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনিই প্রথম মন্তব্যকারী হোন!