তানভীর আহমেদ
ঢাকা · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা · ২৪ অক্টোবর ২০২৬
কোভিডের চরম মুহূর্তে যখন সবাই ঘরে বন্দি ছিল, তখন রক্তের তীব্র সংকটে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই থেকে শুরু, রক্তদান এখন আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। রক্ত দিন, এতে কোনো ক্ষতি নেই; বরং নিজের শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকে।
আমার ৬ বছরের ছেলে আবিরের প্রতি তিন সপ্তাহ পর পর ও নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত রক্তদাতা পাওয়া আমাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন ছিল। কিন্তু রক্তবার্তা প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার পর রাজশাহীর স্থানীয় কয়েকজন ভাই নিয়মিত শিডিউল করে রক্ত দিচ্ছেন। এই মানবিক মানুষগুলোর ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না।
রাত তখন আড়াইটা। হঠাৎ ফোনে রক্তবার্তার নোটিফিকেশন বাজে—চট্টগ্রাম মেডিকেলে একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রচণ্ড জরুরি রক্ত লাগবে। আমি ঘুম থেকে উঠে বাইক নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই। রোগীর স্বজনদের চোখের জল আর রক্তদানের পর তাদের মুখের হাসিটুকুই ছিল আমার জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।
মন্তব্যসমূহ (০)
মন্তব্য করতে বা রক্তদাতার প্রশংসা জানাতে অনুগ্রহ করে লগইন করুন।
লগইন করুনএখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আপনিই প্রথম মন্তব্যকারী হোন!